দাম পড়লে আরও কিনে গড় দাম নামিয়ে আনাকে "averaging down" বলে। এতে যে দামে আপনার লস শেষ হয় (break-even) সেটা কাছে চলে আসে।
⚠ কিন্তু গড় করা তখনই কাজে দেয় যখন কোম্পানিটা আসলেই ভালো — ক্যাটাগরি A, পজিটিভ EPS, নিয়মিত ডিভিডেন্ড। দুর্বল কোম্পানিতে গড় করা মানে পড়তে থাকা শেয়ারে আরও টাকা ঢালা, যা লস বাড়ায়। তাই কেনার আগে উপরের ফান্ডামেন্টালগুলো একবার দেখে নিন।
দাম অ্যালার্ট
দাম টার্গেটে পৌঁছালে নোটিফিকেশন পাবেন — এখন ৳267.90
লগইন ছাড়া সেভ হয় না — অ্যাকাউন্ট খুললে দাম টার্গেটে পৌঁছালে নোটিফিকেশন পাবেন (ব্রাউজার বন্ধ থাকলেও)।
ট্রেডিং আওয়ারে প্রতি ~১৫ মিনিটে দাম মিলিয়ে দেখা হয়। দাম আপনার কেনার টার্গেটে নামলে বা বেচার টার্গেটে উঠলে একবার নোটিফিকেশন পাঠানো হয় (বারবার নয়)। ব্রাউজার বন্ধ থাকলেও পাবেন — যদি নোটিফিকেশন চালু করে থাকেন।
দামের চার্ট
৳267.00▲ 27.80 (11.62%)6M পরিবর্তন
২০২৫-১২-২৮২০২৬-০৬-২৫
পারফরম্যান্স ও মূল্যায়ন
১ সপ্তাহ
-1.80%
১ মাস
-2.41%
৩ মাস
+15.43%
৬ মাস
+11.62%
১ বছর
+37.20%
Price / NAV—
ডিভিডেন্ড ইল্ড0.75%
রিটার্ন: বিভিন্ন সময়ে দাম কত বেড়েছে/কমেছে — সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বোঝায়।
Price/NAV = দাম ÷ প্রকৃত সম্পদমূল্য। এই খাতে গৌণ — ব্র্যান্ড/আয়ই মূল্য, তাই NAV-র উপরে থাকা স্বাভাবিক। ডিভিডেন্ড ইল্ড = বছরের ক্যাশ ডিভিডেন্ড ÷ এখনকার দাম × ১০০ — অর্থাৎ আজকের দামে কিনলে ডিভিডেন্ড থেকে কত % ফেরত আসে।
⚠ শুধু দাম বাড়া বা বেশি ইল্ড মানেই ভালো নয় — কোম্পানি ভালো কিনা (উপরের ফান্ডামেন্টাল) আগে দেখুন।
দামের চলাচল — স্বাভাবিক?✓ স্বাভাবিক চলাচল
দাম-লাফ (৩০ দিনে)-2.08%স্বাভাবিক সীমায়
ভলিউম0.40× স্বাভাবিকেরস্বাভাবিকের কাছাকাছি
দৈনিক ওঠানামা1.17%/দিনশান্ত
দৈনিক লেনদেন৳1.06 কোটিপর্যাপ্ত
সর্বোচ্চ থেকে-14.13%
কিছু শেয়ারে অল্প কয়েকজন মিলে দাম কৃত্রিমভাবে ওঠায় (pump), সাধারণ মানুষ লোভে কিনলে তারপর বেচে দেয় — দাম পড়ে যায় (dump)। এই কার্ড দাম-লাফ, ভলিউম, অস্থিরতা ও লেনদেন দেখে বোঝার চেষ্টা করে চলাচলটা স্বাভাবিক কিনা।
⚠ এটা নিশ্চিত প্রমাণ নয় — শুধু থেমে ভাবার সংকেত। "অস্বাভাবিক" দেখলে লোভে না কিনে আগে উপরের ফান্ডামেন্টাল ও খবর দেখুন। ভালো কোম্পানির দামও মাঝে মাঝে দ্রুত বাড়ে।
প্রতিষ্ঠাতার অংশ53.39%প্রতিষ্ঠাতারা বড় অংশ ধরে আছেন
কোম্পানির শেয়ার কাদের হাতে তা গুরুত্বপূর্ণ।
ফ্রি ফ্লোট = বাজারে অবাধে কেনাবেচা হওয়া অংশ (প্রতিষ্ঠাতা/সরকারের লক করা অংশ বাদ)। কম ফ্রি ফ্লোট মানে অল্প শেয়ার হাতবদল হয় — তাই কয়েকজন মিলে দাম সহজে নাড়াতে পারে (ম্যানিপুলেশনের ঝুঁকি)। প্রতিষ্ঠাতার বড় অংশ সাধারণত আস্থার লক্ষণ (তাঁরাও ঝুঁকিতে আছেন); খুব কম হলে প্রশ্ন ওঠে।
এক নজরে
৯১/ ১০০চমৎকার
✓ ভালো দিক: ক্যাটাগরি A — সবচেয়ে নিরাপদ শ্রেণি; লাভ করছে (পজিটিভ EPS); সাম্প্রতিক ক্যাশ ডিভিডেন্ড (২০২৫); P/E যুক্তিসঙ্গত।
কোম্পানির কয়েকটা মূল সংখ্যা একসাথে দেখে — ক্যাটাগরি, লাভ (EPS), ডিভিডেন্ড, নগদ প্রবাহ ও দাম-বনাম-NAV — এই কার্ড একটা সহজ সারাংশ দেয়, যাতে এক নজরেই বোঝা যায় কোম্পানিটা মোটামুটি কেমন।
🟢 সবুজ — বড় কোনো লাল সংকেত নেই। 🟡 হলুদ — দু-একটা জায়গায় সতর্ক থাকুন। 🔴 লাল — গুরুতর ঝুঁকি।
এটা শুধু বোঝার জন্য একটা মোটা দাগের ইঙ্গিত — কেনা বা বেচার পরামর্শ নয়।
৫২ সপ্তাহের দামের সীমা
এখন ৳268
১ বছরের সর্বনিম্ন188.50
১ বছরের সর্বোচ্চ312.00
গত এক বছরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম; এখনকার দাম কোথায় আছে দেখলে বোঝা যায় তলানিতে না চূড়ায়।
দাম তলানির কাছে থাকলে অনেকে সুযোগ ভাবেন, চূড়ার কাছে থাকলে সাবধান হন — তবে শুধু এটা দিয়ে নয়, ফান্ডামেন্টালও দেখতে হয়।
দামের পরিসংখ্যান
গত ২ দিনের সর্বোচ্চ৳272.80
গত ২ দিনের সর্বনিম্ন৳263.00
৩০ দিনের গড়৳277.01
গড়ের নিচে
৬ মাসের গড়৳239.04
গড়ের উপরে
১ বছরের গড়৳237.36
গড়ের উপরে
গড় দাম মানে ওই সময়ের মধ্যে শেয়ারটা গড়ে কত টাকায় লেনদেন হয়েছে। এখনকার দাম গড়ের নিচে থাকলে অনেকে তুলনামূলক সস্তা ভাবেন, উপরে থাকলে দামি।
শুধু গড় দিয়ে সিদ্ধান্ত নয় — কোম্পানির ফান্ডামেন্টালও দেখতে হয়। দাম পড়া মানেই সুযোগ নয়, কারণ থাকতে পারে। ইতিহাস: ২৪০ দিনের ডেটা, সর্বশেষ ২০২৬-০৬-২৫।
আজকের লেনদেন
ভলিউম (শেয়ার)28,198
ট্রেড সংখ্যা429
টাকার অঙ্ক৳75.50 লক্ষ
আজ কত শেয়ার হাতবদল হয়েছে। একে liquidity বলে — শেয়ারটা কত সহজে কেনা/বেচা যায়।
বেশি ভলিউম = সহজে কেনা/বেচা যায়; খুব কম = বের হওয়া কঠিন।
খবর ও কর্পোরেট ঘোষণা
এখনো কোনো খবর আসেনি — DSE থেকে রিফ্রেশ করলে আসবে।
সর্বশেষ রেকর্ড ডেটখবরে দেখুন
সর্বশেষ AGM২০২৫-১১-২৯
ডিভিডেন্ড বা বোনাস কারা পাবে সেটা ঠিক করার তারিখ। রেকর্ড ডেটে যার নামে শেয়ার থাকবে, সে-ই ডিভিডেন্ড পাবে।
তাই ডিভিডেন্ড পেতে চাইলে রেকর্ড ডেটের আগে শেয়ার কিনে ধরে রাখতে হয়। রেকর্ড ডেটের পরদিন সাধারণত দাম একটু কমে — স্বাভাবিক।
মৌলিক তথ্য (ফান্ডামেন্টাল)
ক্যাটাগরি
কোম্পানির শ্রেণি / মান
A
✓ সবচেয়ে ভালো শ্রেণি
DSE প্রতিটি শেয়ারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে — বিগিনারের জন্য সবচেয়ে সহজ ফিল্টার:
A — নিয়মিত AGM, গত বছর ১০%+ ডিভিডেন্ড → সবচেয়ে নিরাপদ B — AGM করে কিন্তু ১০%-এর কম ডিভিডেন্ড N — নতুন লিস্টেড, ট্র্যাক রেকর্ড নেই Z — AGM/ডিভিডেন্ড দেয় না বা লসে → সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ
EPS — শেয়ারপ্রতি আয়
Earnings Per Share (বার্ষিক)
৳ 2.51
✓ পজিটিভ, ভালো
কোম্পানি এক বছরে প্রতিটি শেয়ারের পেছনে কত টাকা লাভ করেছে।
পজিটিভ ও বছর বছর বাড়লে ব্যবসা ভালো; নেগেটিভ মানে লস।
P/E — মূল্য-আয় অনুপাত
দাম সস্তা না দামি
36.38
✓ যুক্তিসঙ্গত
দাম ÷ EPS। দামটা আয়ের তুলনায় সস্তা না দামি বোঝায়।
সেক্টরের গড়ের চেয়ে কম = তুলনামূলক সস্তা; খুব বেশি (৪০+) = দামি; নেগেটিভ = লসে।
NAV — প্রকৃত সম্পদমূল্য
Net Asset Value / শেয়ার
—
সব সম্পদ থেকে দেনা বাদ দিলে প্রতি শেয়ারে কত টাকার সম্পদ থাকে।
এই খাতে (টেলিকম/ফার্মা/FMCG/সার্ভিস) মূল্য মূলত ব্র্যান্ড, গ্রাহক ও আয়ে। তাই দাম NAV-র অনেক উপরে থাকা স্বাভাবিক, দুর্বলতা নয়।
আসল বিপদ: দাম NAV-র অনেক উপরে আর সাথে কোম্পানি লস করছে বা আয় বাড়ছে না — তখন সাবধান।
ডিভিডেন্ড — লভ্যাংশ
≈ ৳2.00/শেয়ার (ফেস ভ্যালু ১০৳)
২০% Cash
✓ নিয়মিত ক্যাশ
কোম্পানি লাভের অংশ ফেরত দেয়। Cash = টাকা, Bonus/Stock = বাড়তি শেয়ার।
ডিভিডেন্ড % হিসাব হয় ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর উপর — বাজারদরের উপর নয়।
পার শেয়ার ক্যাশ = (২০ ÷ ১০০) × ১০ = ৳2.00 প্রতি শেয়ার।
NOCFPS — নগদ প্রবাহ/শেয়ার
লাভটা আসল কিনা যাচাই
—
কোম্পানি কাগজে লাভ দেখাচ্ছে নাকি হাতে নগদও আসছে — এটা সেটা বলে।
⚠ EPS বেশি অথচ NOCFPS অনেক কম/নেগেটিভ হলে সাবধান — লাভটা হয়তো শুধু হিসাবের।
ℹ এই সংখ্যাটা DSE-র পেজে সরাসরি পাওয়া যায় না, তাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসেনি।
আপনার পজিশন ট্র্যাক করতে চান?
ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলে এই শেয়ারে আপনার কেনার তথ্য যোগ করুন — গড় দাম, লাভ/লস, "আরও কিনলে গড় কত হবে" হিসাব ও দাম অ্যালার্ট পান।